বিগণবিডি ডেস্ক: বাংলাদেশের সাথে বাণিজ্য এবং ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব বাড়াতে বহুমাত্রিক কৌশল গ্রহণ করছে ভারত। বেইজিং যখন ঢাকার মন জয় করতে পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দিয়েছে তখনই ভারত এ ধরণের কৌশল গ্রহণ করছে।

ভারতের দ্য ইকোনমিক টাইমসে এ খবর প্রকাশ করে আরো বলা হয়, চীনের এই বাণিজ্য সুবিধার ফলে বাংলাদেশ ‘দ্বৈত ঘাটতি এবং ঋণের ফাঁদে’ পড়তে পারে।

উত্তরপ্রদেশসহ অন্যান্য অঞ্চলে বাংলাদেশি পণ্যের বিরামহীন পরিবহণের জন্য বিভিন্ন সংযোগ উদ্যোগও সক্রিয় করছে ভারত।

ভারতের আন্তঃসীমান্ত বাণিজ্য ও সংযোগ ইস্যু নিয়ে কাজ করা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সমুদ্র বন্দর, অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন, রেল ও মহাসড়কগুলোর মাধ্যমে বড় একটা সংযোগ-উদ্যোগ রয়েছে যা বাংলাদেশকে ভুটান এবং নেপালের বাজারের সাথেও সংযোগ করতে সক্ষম করবে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের বিরোধিতার পরেও গত সপ্তাহে পশ্চিমবঙ্গ হয়ে সীমান্ত বাণিজ্য আবার শুরু করার সিদ্ধান্ত ভারতে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধি করবে। বুধবার ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বাংলাদেশকে চিঠিও পাঠিয়েছেন।

সংবাদে আরো বলা হয়, দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার বাংলাদেশ। গত এক দশকে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশে ভারতের রফতানি ছিল ৯.২১ বিলিয়ন ডলার এবং একই সময়ে আমদানি ছিল ১.০৪ বিলিয়ন ডলার। তুলনায় একই অর্থবছরে চীন বাংলাদেশে ১৩,৬৩৮ মিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে এবং বাংলাদেশের রপ্তানির পরিমাণ ছিলো ৫৬৮ মিলিয়ন ডলার।